কাদিরের আপেল, রফিকের ১০.২ ওভার এবং আরও যত বিচিত্র ঘটনা

 



🏏 এশিয়া কাপের মজার তথ্য

  1. এশিয়া কাপে ব্যাটসম্যান

    • ভারতের সাবেক উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান সুরিন্দর খান্না ক্যারিয়ারের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ রানই করেছেন এশিয়া কাপে।
    • ১৯৮৪ সালের প্রথম এশিয়া কাপে ২ ম্যাচে ২ ফিফটি করে ১০৭ রান করেন ও হন টুর্নামেন্ট সেরা।
  2. অতিথি ও সমান্তরাল টুর্নামেন্ট

    • ১৯৮৬ এশিয়া কাপের ফাইনাল একই সঙ্গে আরেকটি ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টের অংশ ছিল।
    • ভারত অংশ না নেওয়ায় শ্রীলঙ্কা আমন্ত্রণ করে নিউজিল্যান্ডকে।
  3. শ্রীলঙ্কার প্রথম শিরোপা

    • ১৯৮৬ এশিয়া কাপ জেতার পর শ্রীলঙ্কায় একদিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি।
  4. বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সূচনা

    • ১৯৮৮ এশিয়া কাপে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ।
    • তখন ম্যাচগুলো ওয়ানডে স্বীকৃতি পায়নি, পরে ১৯৮৯ সালে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
  5. কাদিরের আপেল কাণ্ড

    • ১৯৮৮ এশিয়া কাপ-পরবর্তী এক প্রদর্শনী ম্যাচে আবদুল কাদির আপেল দিয়ে বল করেন।
    • ভারতের মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন সেটি মেরে টুকরো করে দেন।
  6. ফাইনালের নিয়ম

    • প্রথম দিকে এশিয়া কাপের ফাইনালে জেতার একটি “নিয়ম” লক্ষ্য করা যেত—
      • প্রথম ৫ ফাইনালে পরে ব্যাট করা দল জয়ী।
      • পরের ৫ ফাইনালে আগে ব্যাট করা দল জয়ী।
  7. রফিকের ১০.২ ওভার

    • ২০০৪ এশিয়া কাপে হংকংয়ের বিপক্ষে মোহাম্মদ রফিক ভুলবশত ১০.২ ওভার বল করেন।
    • আম্পায়ার ও খেলোয়াড়রা ভুলটি টেরই পাননি।
  8. হারুনুর রশিদের দুঃখ

    • বাংলাদেশের ওপেনার হারুনুর রশিদ ১৯৮৮ এশিয়া কাপে ২ ইনিংসে শূন্য রানে আউট হন।
    • আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারও শেষ হয়ে যায় ওই ২ ম্যাচেই।
  9. তিন অধিনায়কের শ্রীলঙ্কা

    • ১৯৮৮ এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কা ৪ ম্যাচ খেললেও নেতৃত্ব দেন ৩ জন আলাদা অধিনায়ক।
  10. টেন্ডুলকারের উইকেটের দাম

    • ২০০৪ এশিয়া কাপে শচীনকে আউট করলে আমিরাতের ম্যানেজমেন্ট ঘোষণা দেয় ১,০০০ ডলার পুরস্কার।
    • বাঁহাতি পেসার আসিম সাঈদ টেন্ডুলকারকে আউট করে সেই পুরস্কার পান।
  11. জাহিদ শাহর কাকতালীয় পারফরম্যান্স

    • সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাহিদ শাহর ওয়ানডে ক্যারিয়ার মাত্র ২ ম্যাচ।
    • দুটিতেই একই বোলিং ফিগার: ১০-০-৪৯-৩।
  12. যোগ-বিয়োগ নাটক (১৯৯৫ এশিয়া কাপ)

    • আকরাম খানের একটি শট প্রথমে ১ রান ধরা হলেও পরে টিভি রিপ্লেতে বাউন্ডারি দেওয়া হয়।
    • ফলে বাংলাদেশের রান বেড়ে যায় ১৪৮ থেকে ১৫১।
    • পাকিস্তান ইনিংসে ওয়াসিম আকরামের ছক্কা-চারের হিসাব নিয়েও বিভ্রান্তি তৈরি হয়।

Comments

Popular posts from this blog

চোখের সামনেই লুট: শেখ হাসিনার পতন থেকে লন্ডন পর্যন্ত অর্থ পাচারের তথ্যচিত্র